বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৭:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালিগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো.সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রামে ঝুট গুদামে আগুন শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুলে ফল উৎসব পালিত রামপালে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র অর্থ সহায়তা প্রদান  গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বিতীয়বার শপথ নিলেন কাবির মিয়া বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির রাজশাহী বিভাগীয় কমিটি ঘোষণা নন্দী ভাঙ্গনের প্রতিযোগীতায় চট্টগ্রাম  গাজীপুরে শহীদ ক্যাডেট স্কুল এন্ড কলেজে ফল উৎসব ২০২৪ অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদুল- আযহার ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি’মো.ইমানুর মিয়া

গাজীপুরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু,পলাতক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

মোঃ মোখলেছুর রহমান জয়, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৭৭ বার পঠিত

 

মোঃ মোখলেছুর রহমান জয়, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি ক্লিনিকে নার্স দিয়ে সিজারিয়ান অপারেশনের পর ইয়াসমিন আক্তার (৩০) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পরপরই হাসপাতালের মালিকপক্ষ, চিকিৎসক ও নার্স পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে উত্তেজিত জনতা ও নিহতের স্বজনেরা এসে হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। গভীর রাতে হাসপাতালে এসে তদন্ত কমিটি ঘোষণা ও দোষীদের শাস্তির আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
রোববার (৩১ মার্চ) রাতে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা এলাকার লাইফ কেয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া নারী ইয়াসমিন আক্তার (৩০) উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামের আসাদুল্লাহর স্ত্রী। নিহত ইয়াসমিনের নবজাতক শিশুপুত্র ও ইকরা নামে ১০ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।

নিহত প্রসূতির মা রাজিয়া খাতুন বলেন, “রোববার দুপুর ১২টার দিকে ইয়াসমিনকে ওই হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে ভর্তি করার পরামর্শ দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়, ইফতারের পর সিজার করা হবে,এ সময় রোগীর স্বজনদের হাসপাতালের বাইরে অপেক্ষা করতে বলে। হাসপাতাল থেকে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জানানো হয় ইয়াসমিনের ছেলে সন্তান হয়েছে। মেয়ের কাছে গিয়ে দেখি প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তখন স্বজনদের খবর দেই।

নিহতের চাচা কামাল হোসেন বলেন,‘ইয়াসমিনের মায়ের ফোন পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করলেও কোনো গুরুত্ব দেয়নি। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইয়াসমিনের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে অন্যত্র পাঠানোর নির্দেশ দেয় তারা। এসময় নিজেরাই অ্যাম্বুলেন্সে এনে মরদেহ তুলে দিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ।
তিনি আরও বলেন,” ইয়াসমিনের সিজারিয়ান অপারেশনের সময় হাসপাতালে কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ছিলেন না।
ডাক্তার ছাড়া নার্স দিয়ে সিজারিয়ান অপারেশন করার কারণে আমার ভাতিজি মারা গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এই হাসপাতালে এর আগেও অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে”।

এদিকে, ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা হাসপাতালে জড়ো হয়। একপর্যায়ে নিহত ইয়াসমিনের ১০ বছের শিশু ইকরার কান্না দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে ওই হাসপাতালে ভাঙচুর চালায় তাঁরা ।

শৃঙ্খলা ফেরাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনায়েত কবির। তিনি সংবাদদাতা মোঃমোখলেছুর রহমান জয় কে বলেন, “ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর পর উত্তেজনা সৃষ্টির খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক আনা হয়। আলোচনার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। নিহতের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ চলমান।

এ ঘটনায় লাইফ কেয়ার হাসপাতাল কর্তপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সাংবাদ পড়ুন ও শেয়ার করুন

আরো জনপ্রিয় সংবাদ

© All rights reserved © 2022 Sumoyersonlap.com

Design & Development BY Hostitbd.Com

কপি করা নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।