মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার চরবলাকি গ্রামে আলোচিত ফাইভ মার্ডারের ঘটনার আসামীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।
২৭ শে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকালে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ফটকে এই মানববন্ধন কর্মসূচি হয়। দুপুর ৪ থেকে ৫ টা পর্যন্ত ঘন্টা ব্যাপি এই মানববন্ধনে হত্যাকান্ডের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান মানববন্ধনকারীরা।
মানববন্ধনকারীরা বলেন, ২০১৬সালে গজারিয়া উপজেলার চরবলাকী এলাকায় ৩জনকে প্রকাশ্যে হত্যা ও ২জনকে হত্যার পর মরদেহ গুম করে স্থানীয় সন্ত্রাসী নাজমুল, আরিফ ও সুমন গংরা এঘটনার মামলা দায়ের হলেও ৯বছর ধরে বিচারের অপেক্ষায় নিহতের স্বজনরা।
আওয়ামী শাসনামলে আসামীরা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পদ পদবীতে থেকে নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে মামলার বিষয়ে সবার মুখবন্ধ করে রাখে । বিষয়টি নিয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেনি। তবে গত ৫আগষ্ট আওয়ামী সরকারের সরকার পতনের পর ওই হত্যা মামলায় আবারো বিচারের দাবি করছে স্বজনরা। মামলাটি দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুানালে বিচারাধীন রয়েছে, বর্তমানে স্বৈরাচারের দোসর ও হত্যা মামলার আসামী নাজমুল গং নিহতদের স্বজনদের আবার হুমকি দিচ্ছে। হুমকির
বিষয়ে গত বুধবার মোসাৎ শিলা গজারিয়া থানায় সাধারণ ডাইরি করে। তবে ন্যায়বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আবারো শংকিত নিহতদের স্বজনরা।
হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত ও ভোক্তভোগী পরিবারদের নিরাপত্তার দাবি করে সকলে। এবিষয়ে যথাযথ ব্যবস্হা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে মানববন্ধনকারী। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের স্বজন শিলা আক্তার, আকলিমা বেগম, রেহানা বেগম । প্রসঙ্গত, ২০১৬সালে ১৪জুলাই চরবলাকী এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়
গোলাপ সরকার, আইয়ুব সরকার, ইউনুছ মৃধা এঘটনায় জুয়েল সরকার ও আওলাদ বেপারীকে খুনের পর গুম করার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় নিহত গোলাপ সরকারের পিতা মজু সরকার বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় নাজমুল সহ ১৩৯জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।