মুজাহিদ সাতক্ষীরা ব্যুরোঃ
সাতক্ষীরা সদরের ঘোনা বাশিয়াপাড়া আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে । গত মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বেলা একটার দিকে ঘোনা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, সদরের ঘোনা মৌজায় পৈত্রিক সূত্রে আরএস ১৩১৪ নং খতিয়ানে হাল ১৪৯৩,১৪৮৯ দাগে মোট ৬০ শতক জমি দীর্ঘদিন বাসিয়াপাড়া এলাকার মৃত খোদাবক্স বেশে এর ৪ ছেলে কামরুজ্জামান,রবিউল,রফিক ও খাইরুল ইসলাম ভোগ দখল করে আসছিলেন। কিন্তু স্থানীয় মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও তার ভাই ইমরান হোসেন সবুজ সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জন দলবল নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওই জমির সীমানা প্রাচীর (ঘেরা) উপড়িয়ে দেওয়া সহ বুধবার রাতে রবিউল ইসলাম এর বাড়িতে অতর্কিত হামলা করে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় আহতরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রকৃত ঘটনাটি আড়াল করতে মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু তার ভাইকে দিয়ে সদর থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন। জমি দখলের এ চেষ্টা নিয়ে গ্রামে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। কিন্তু কোন সমাধান হয়নি। এরপর ১২ জুন ২৩ তারিখে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলি আদালতে ১৪৫ ধারায় একটি মামলা করেন খাইরুল ইসলাম। মামলা নং-১২৯২/২৩ ঐদিনই আদালত এই জমির উপর শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ জারি করেন। সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মহিদুল ইসলাম জানান, আদালতের ১৪৫ ধারার এই নোটিশ উভয়পক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষের মারামারির খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এবং শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন।
জানতে চাইলে, অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু এ প্রতিবেদককে বলেন, ৬০ শতক জমির ভিতরে আমার আংশিক জমির রয়েছে। এর মালিক আমি নিজে। বাকি জায়গা সে দখল করে আছে। ঘর ভাঙচুর কিংবা ঘেরা বেড়া কাটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ব্যাপারে, ইমরান হোসেন সবুজ বলেন, আমি অসুস্থ। এ ব্যাপারে পরে কথা বলব।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহিদুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনা অপেক্ষা করে ঘর ভাঙচুর ও সীমানা প্রাচীর কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।