তাপস কুমার ঘোষঃ নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে মাহমুদ হোসেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় স্ত্রী মুসলিমা খাতুন ঠেকাতে এলে তাকে ও বেধড়ক মারপিট করে হামলাকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের চাকদাহ গ্রামে।এ ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে কালিগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী মৃত: ফজলু গাজি’র ছেলে মাহমুদ হোসেন (৩০)। বর্তমানে সে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আসামীরা হলেন,একই গ্রামের মৃত: খলিল গাজীর ছেলে সেনা সদস্য আব্দুর রশিদ (২৮) ,মৃত খোদা বক্স এর ছেলে সুরাত আলী (৪০),খলিল গাজীর স্ত্রী জেসমিন বেগম (৫০) ,সুরাত আলীর স্ত্রী নাজমা পারভীন (৩৫), অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসামীদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জায়গা জমি নিয়ে শত্রুতা চলছিলো,শত্রুতার এক পর্যায় গতকাল (৯ মার্চ) বিকালের দিকে বাদীগণ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লাঠিসোটা,লোহার বড়,দা,দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাহমুদ হোসেনের বসত বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে মাহমুদ হোসেনের ওপর হামলা করে,মাহমুদ হোসেনকে মারধরের এক পর্যায় স্ত্রী মুসলিমা খাতুন এগিয়ে আসলে তাহাকে ও মারধর করে। পরে তাদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে বিবাদীগণ তাদের প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
এবিষয়ে অভিযোগ কারী মাহমুদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন” বিবাদীগণ অনেক ক্ষমতাধর ও খারাপ প্রকৃতির লোক,তারা যে কোনো সময় আমার এবং আমার পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে,এবং সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় বিবাদী আব্দুর রশিদের মামা সাবেক সেনার সদস্য ইয়াসিন আলী আমাকে দেখতে এসে প্রকাশ্যে কয়েকজনের সামনে হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যান এবং হুমকির ভিডিও ফুটেজ আছে।পরিশেষে মাহমুদ হোসেন তিনি ন্যায় বিচারের দাবি জানান প্রশাসনের নিকট।
বিষয়টি বিবাদী সেনা সদস্য আব্দুর রশিদের ব্যবহৃত মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি প্রতিনিধিকে জানান আমি এখন খুব ব্যস্ত আছি আপনার সাথে পরে কথা বলবো বলে এড়িয়ে যান।এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত চলছে,তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।